মূল কনটেন্টে যান
ফাহিম ফার্মেসি এন্ড সার্জিক্যাল লোগো
স্বাস্থ্য টিপস

সুস্থ থাকার সহজ উপায়

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলুন — সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন

ঔষধ সচেতনতা

ঔষধ সচেতনতা

ঔষধের মেয়াদ দেখে কিনুন

যেকোনো ঔষধ কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

অ্যান্টিবায়োটিকের পূর্ণ কোর্স শেষ করুন

ডাক্তার যে কয়দিন অ্যান্টিবায়োটিক খেতে বলেছেন, সুস্থ বোধ করলেও পুরো কোর্স শেষ করুন। মাঝপথে বন্ধ করলে ঔষধ পরে আর কাজ নাও করতে পারে।

খালি পেটে ব্যথানাশক নয়

ব্যথানাশক ঔষধ খালি পেটে খেলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে। সবসময় ভরা পেটে বা খাবারের পর ব্যথার ঔষধ খান।

ঔষধ ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় রাখুন

সরাসরি রোদ বা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ঔষধ রাখলে কার্যকারিতা নষ্ট হয়। ইনসুলিনের মতো ঔষধ ফ্রিজে রাখার নিয়ম মেনে চলুন।

নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বিপজ্জনক। এতে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতে চিকিৎসা কঠিন করে তোলে।

চোখের ড্রপ খোলার ১ মাস পর ফেলে দিন

চোখের ড্রপ একবার খোলার পর সাধারণত ২৮-৩০ দিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে। এরপর ব্যবহার করলে চোখে সংক্রমণ হতে পারে।

দৈনন্দিন স্বাস্থ্য

দৈনন্দিন স্বাস্থ্য

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পানি কিডনি সুস্থ রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করে।

রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান

পর্যাপ্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মন ভালো রাখে এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে মোবাইল কম ব্যবহার করুন।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন

নিয়মিত হাঁটা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। সকালে বা বিকেলে অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন।

ধূমপান ছাড়ুন, সুস্থ থাকুন

ধূমপান ফুসফুস ক্যান্সার, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের প্রধান কারণ। আজই ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিন — প্রয়োজনে ডাক্তারের সাহায্য নিন।

নিরাপত্তা

নিরাপত্তা

ঔষধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

রঙিন ট্যাবলেট বা সিরাপ শিশুদের কাছে লোভনীয় মনে হতে পারে। সব ঔষধ অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে নিরাপদ জায়গায় রাখুন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা

স্বাস্থ্য পরীক্ষা

নিয়মিত ব্লাড প্রেসার মাপুন

উচ্চ রক্তচাপ নীরব ঘাতক। ৩০ বছরের পর মাসে অন্তত একবার ব্লাড প্রেসার মাপুন। আমাদের দোকানে ভালো মানের বিপি মেশিন পাওয়া যায়।

ডায়াবেটিস রোগীরা সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

নিয়মিত রক্তের সুগার পরীক্ষা করুন, সময়মতো ঔষধ খান এবং হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করুন। গ্লুকোমিটার দিয়ে ঘরে বসেই সুগার মাপা যায়।

পরিচ্ছন্নতা

পরিচ্ছন্নতা

হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন

খাওয়ার আগে ও টয়লেটের পরে সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন। এতে ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ অনেক রোগ থেকে বাঁচা যায়।

জরুরি পরামর্শ

জরুরি পরামর্শ

জ্বর ১০৩° এর বেশি হলে ডাক্তার দেখান

সাধারণ জ্বরে প্যারাসিটামল ও বিশ্রাম যথেষ্ট। কিন্তু জ্বর ১০৩ ডিগ্রির বেশি হলে বা ৩ দিনের বেশি থাকলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান।

ডায়রিয়ায় খাবার স্যালাইন খান

ডায়রিয়া হলে প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর এক গ্লাস খাবার স্যালাইন খান। শিশু বা বয়স্কদের অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিন।

মা ও শিশু

মা ও শিশু

গর্ভবতী মায়েরা ঔষধে সতর্ক থাকুন

গর্ভাবস্থায় যেকোনো ঔষধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সাধারণ ঔষধও গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে।

শিশুকে ডোজ মেপে সিরাপ খাওয়ান

শিশুদের সিরাপ খাওয়ানোর সময় অনুমানে নয় — মাপার চামচ বা ড্রপার ব্যবহার করুন। ওজন অনুযায়ী ডোজ ঠিক আছে কিনা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞেস করুন।

প্রাথমিক চিকিৎসা

প্রাথমিক চিকিৎসা

কাটাছেঁড়ায় প্রথমে পরিষ্কার করুন

কেটে গেলে প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে অ্যান্টিসেপটিক লাগান, তারপর স্টেরাইল গজ-ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিন। গভীর ক্ষতে দ্রুত হাসপাতালে যান।

ঘরে ফার্স্ট এইড বক্স রাখুন

প্রতিটি বাড়িতে প্যারাসিটামল, ওরস্যালাইন, অ্যান্টিসেপটিক, ব্যান্ডেজ ও থার্মোমিটারসহ একটি ফার্স্ট এইড বক্স রাখা উচিত।